আম্ফানে পটুয়াখালীতে শিশুসহ নিহত ২



পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

সুপার সাইক্লোন ‘আম্ফান’ এর প্রভাবে দক্ষিণ উপকুল সংলগ্ন সাগরে উচ্চ ঢেউ আছরে পরছে। বাতাসের তীব্রতা বেড়েই চলছে। সন্ধ্যায় গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকায় ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে পরে ৫ বছরের শিশু রাশেদ মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি মো. মনিরুল ইসলাম। এদিকে কলাপাড়ায় জন সচেতনে প্রচার কাজ চালাতে গিয়ে ধানখালীর ছৈলাবুনিয়া এলাকায় খালে নৌকা ডুবে নিখোজঁ সিপিপি’র দলনেতা শাহআলম এর লাশ ৯ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে আম্ফানে পটুয়াখালীতে ২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে কলাপাড়া, গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার অন্তত ১৭টি গ্রাম।
রাত ৮টা নাগাদ আম্ফান পুরোপুরি আঘাত হানতে পারে এমন খবরে উপকুলের কয়েকলাখ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

চরাঞ্চলসহ দুর্গম অঞ্চলের বেশ কিছু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। আম্ফানের ক্ষয়-ক্ষতি মনিটরিং করার জন্য জেলা ও উপজেলায় ১০টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। জেলায় মোট ৭৫২টি আশ্রয় কেন্দ্রে পর্যাপ্ত শুকনা খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে ৩২৫টি ম্যডিকেল টিম করছে। পায়রা বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্কাবস্থানে রয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বন্দরের সকল কার্যক্রম।

আম্ফান মোকাবেলায় কাজ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি, কোস্টগার্ড, ফায়ার কর্মী, আনসার, স্বেচ্ছাসেবী সদস্যসহ সংশ্লিস্টরা। বেশ কিছু মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। উচ্চ জোয়ারে নদী-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্ধশত চরসহ নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম সিপন আশ্রন, কেন্দ্রে আসা মানুষ যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করে তাদের সচেতন করতে কাজ করছে স্বাস্থ্য কর্মীরা।

শেয়ার করুন!