হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি



ফাইল ছবি।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে রোগীরা এসে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকে হাসপাতাল কর্মচারীদের হাতে নাজেহাল হন। হবিগঞ্জ জেলার একমাত্র চিকিৎসার শেষ আশ্রয়কেন্দ্র এই হাসপাতাল। কিন্তু হাসপাতালের কিছু অসাধু পিয়ন ও আয়ারা বিভিন্ন ক্লিনিকের রোগী পাঠিয়ে কমিশন নিচ্ছেন। সামান্য রোগ বালাই নিয়ে এলেও কমিশনের পেয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেন তারা।

গতকাল সোমবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার বৈলাকপুর গ্রামের তাহের মিয়ার স্ত্রী আকলিমা বেগম প্রসুতি ব্যথা নিয়ে সদর হাসপাতালে আসেন। এ সময় গাইনি ওয়ার্ডের নাস পারভিন আক্তার বলেন, আকলিমা বেগমের নরমাল ডেলিভারী হবে। আকলিমাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কোন এক সময় আয়া জয়ফুল বেগম প্রসুতি আকলিমার স্বামীকে বলেন, নরমাল ডেলিভারী হলে ঝুঁকি আছে। মা অথবা সন্তানের মৃত্যু হতে পারে। তাই ওই রোগীকে সিজার করালে ঝুঁকি থাকবে না। এ সময় তিনি বলেন, আর্থিক অবস্থা খারাপ জানালে ওই আয়া তাকে কম টাকায় শহরের রাজনগরের এক ক্লিনিকে সিজার করাতে পারবে বলে জানায়। এরপর ওই আয়া আকলিমার স্বামীর নিকট দরদাম করে ১২ হাজার টাকা ঠিক করে বদরুন্নেসা ক্লিনিকে পাঠায়। সেখানে যাবার পর এ টাকায় সিজার হবে না বলে ফেরত পাঠানো হয়। এ নিয়ে ওই রোগীর স্বামী ভোগান্তিতে পড়েন। অবশেষে ১৪ হাজার টাকায় সিজার করাতে সম্মত হয় ওই ক্লিনিক।

আকলিমার স্বামী তাহের মিয়া আরও অভিযোগ করেন আমাকে ভয় দেখিয়ে ওই ক্লিনিকে পাঠানো হয়। আমাকে নার্স পারভিন নরমাল ডেলিভারীর কথা বলেছিল। আমি জয়ফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে তত্তাবধায়ক হেলাল উদ্দিন জানান, আমি হবিগঞ্জের বাইরে আছি। আরএমওকে বলে দিয়েছি। আমি এসে অভিযুক্ত জয়ফুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন!