হবিগঞ্জ শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ ফাস্টফুডের দোকান



ছবি-সিএনবাংলাদেশ।
স্টাফ রির্পোটার, হবিগঞ্জ :

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অবৈধ ভ্রাম্যমাণ ফাস্টফুডের দোকান। আর এসব দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে করা হচ্ছে ব্যবসা। এদের নেই কোনো বৈধ কাগজপত্র। স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই দেদারছে শহরের প্রধান ও ব্রেক রোডের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা। একেকটি ভ্রাম্যমান দোকানে এক থেকে দুইটি ফ্রিজ ও মাইক্রোওভেনসহ ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। যেগুলোতে শহরের বিদ্যুতের মেইন লাইন থেকে অবৈধভাবে বিদ্যুত সংযোগ দেয়া হয়েছে। দোকানগুলোতে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক সামগ্রী ব্যবহারের ফলে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে। এতে একদিকে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব অন্যদিকে যানজট সৃষ্টিসহ বড়ধরণের দূর্ঘটনা ঘটবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তাছাড়া সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে এসব অবৈধ বিদ্যুত লাইনের ফলে শহরে ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শহরের প্রধান সড়ক নার্সিং ইন্সটিটিউটের পাশে, হাসপাতালের প্রধান ফটকে, জেলা শিক্ষা ভবনের সামনের গেইট ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে, বাণিজ্যিক এলাকা, সরকারি বৃন্দাবন কলেজের নতুন ভবনের সামনে, ব্রেক রোডের কিচেন মার্কেটের সামনসহ বিভিন্ন এলাকার পয়েন্টে দুপুর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে এসব দোকানে ব্যবসা করা হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তুলনাম‚লক দাম কম হওয়ায় অনেকেই আকৃষ্ট হয়ে পরিবার পরিজন রাস্তায় দাড়িয়েই এসব খাচ্ছেন।

জানা যায়, করোনার সময়েও স্বাস্থ্য বিধি না মেনে এগুলোতে খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। তাছাড়া ওই সব দোকানে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা ভিড় করে আড্ডা দিচ্ছে। এ বিষয়ে পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। কেউ যদি লুকিয়ে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তাহলে তালিকা তৈরি করে অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমেদ সিএনবাংলাদেশ’কে জানান, সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা নিষেধ। যদি কেউ এরকম করে থাকে তবে উচ্ছেদ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অচিরেই অভিযান চালানো হবে।

শেয়ার করুন!