ঠাকুরগাঁওয়ে দলবেঁধে কিশোরীকে ধর্ষণ : গ্রেপ্তার ৪



ছবি-সিএনবাংলাদেশ।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

ঠাকুরগাঁওয়ে অপহণ করে এক কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা বাদী হয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছয়জনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

মামলার প্রেক্ষিতে সোমবার (০১ মার্চ) ভোররাতে সদর উপজেলার জামালপুর ও রাণীশংকৈল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের উত্তর মহেষপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে বাবুল ওরফে বাবু (১৯), খলিলুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ সোহেল (২০), জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার নুনতোর গ্রামের শামসুদ্দিনের ছেলে রহমান (১৯) এবং মোহাম্মদপুরের ঝাড়বাড়ি গ্রামের মসলিম উদ্দীনের ছেলে রমজান (১৯)।

ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার চারজন অপরাধ স্বীকার করেছে। বিকালে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এবং ভিক্টিমকে পরীক্ষা করার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, এক মাস আগে বাবুল ওরফে বাবুর সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরীর পরিচয় হয়। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরী তার ১২ বছর বয়সী বোনকে সঙ্গে নিয়ে বাবুর সঙ্গে বাড়ির পাশে কাশিয়াডাঙ্গী বাজারে দেখা করতে যায়। সে সময় ১২ বছর ওই শিশুকে কৌশলে ওই বাজারের পাশে একটি বাড়িতে আটকে রাখে বাবু। পরে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে ওই বাজারের পাশের এক আম বাগানে নিয়ে যান বাবুল ওরফে বাবু। সেখানে আগ থেকে ওৎ পেতে থাকা তার বন্ধুরাসহ বাবু প্রালাক্রমে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এতে ওই কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

পরদিন সকালে আটকে রাখা ১২ বছর বয়সী শিশু কৌশলে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে আম বাগানে গিয়ে ধর্ষণের শিকার বোনকে খুঁজে পায়। এরপর দুজনে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার মহারাজা বাজারে যায়। পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুজি করে সেদিন বিকেলে তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

শেয়ার করুন!