শাল্লার ঘটনা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে : বাসদ



স্টাফ রির্পোটার :

সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রাম পরিদর্শন করেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

শনিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নোয়াগাঁও গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে গিয়ে নারী-পুরুষের সাথে কথা বলেন।

পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন বাসদ সিলেট জেলার সমন্বয়ক আবু জাফর, সদস্য জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী সুমন, সদস্য প্রণব জ্যোতি পাল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান রাসেল, শ্রমিক ফ্রন্ট নেতা তাজু মিয়া, ছাত্র ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার আহবায়ক সঞ্জয় শর্মা প্রমুখ।

নোয়াগাঁও পরিদর্শন কালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যশুনে এবং হামলার ভয়াবহতার চিত্র দেখে বাসদ নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সাম্প্রদায়িক হামলা একাত্তর সালের পাকিস্তানিদের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। হামলার চিত্র এত ভয়াবহ ছিল যে গ্রামের নারী-শিশুদের মধ্যে এখনো আতঙ্কের ছাপ রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে এখনো অনেকে ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন। হামলার বিষয়টি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। স্থানীয় প্রশাসন আগের দিন রাতে বিষয়টি জানার পরেও নোয়াগাঁও গ্রামবাসীকে নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ এসময় বলেন, সরকারের আপোষ নীতির কারণে সাম্প্রদায়িক শক্তি বারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এধরণের সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটছে। অতীতের সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার সরকার করতে না পারার কারণে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
তারা আরও বলেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হকের অনুসারীরা ঘরবাড়ি ভাংচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি, নারী-শিশুদের উপর নির্যাতন, স্বর্ণ ও অর্থ লুটপাট এবং জমির ফসল নষ্ট করার মতো অমানবিক নির্দয় ঘটনা ঘটিয়েছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি আর্থিক সহযোগিতার আহবান জানান। প্রেস রিলিজ।

শেয়ার করুন!