রক্তশূন্যতা কমায় লাল শাক



ফাইল ছবি।
সিএনবাংলাদেশ ডেস্ক/

শীতকাল মানেই শাকসবজির সমারোহ। চিকিৎসকদের ভাষায়, মৌসুমি ফল,সবজির পুষ্টিগুণ নানা ধরনের জটিল সমস্যা কমায়। প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর সুস্থ রাখতে এমনকী, ঝকঝকে, উজ্জ্বল ত্বকের জন্য শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। শীতকালের অন্যতম জনপ্রিয় সবজির একটি হল লালশাক।

পুষ্টিবিদদের মতে, শীতকালের একটি সুপারফুড হল লালশাক। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর লালশাক বহু রোগের জন্য উপকারী। ১০০ গ্রাম লালশাকের মধ্যে ক্যালসিয়াম আছে ৩৭৪ মিলিগ্রাম। প্রোটিন আছে ৫ দশমিক ৩৪ গ্রাম। প্রতিদিন লালশাক খেলে শরীর সতেজও থাকে। তাছাড়াও এর বহু উপকারিতা রয়েছে। যেমন-

১. কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা চিন্তিত, তাঁদের রোজ লালশাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

২. লালশাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাছাড়াও এতে অ্যান্টি ক্যান্সার গুণাবলী রয়েছে।

৩. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ লালশাক রেটিনার কার্যক্ষমতা বাড়ায়। দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্যও এটি ভীষণ উপকারী।

৪. লালশাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে যারা অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতার মতো সমস্যায় ভোগেন, তাদের রোজ লালশাক খাওয়া উচিত।

৫. রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে লালশাক। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা খেলে উপকার পাবেন।

৬. লালশাকে ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম। ফলে রোজ খেলেও ওজন বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং এটি পেট ভর্তি রাখে। তাড়াতাড়ি খিদেও পায় না। এটি খেলে ওজনও কমে।

৭. লালশাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এ কারণে এটি খেলে তাড়াতাড়ি হজম হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যার সমাধান করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

৮. লালশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফসফরাস, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি, ভিটামিন ই রয়েছে ।এই উপাদানগুলো শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। ফলে কিডনি পরিষ্কার রাখে।

৯. লালশাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে । যা গর্ভাবস্থায় নারীদের জন্য খুবই উপকারী।

১০. লালশাক দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। শরীরে শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে এই শাক।

শেয়ার করুন!