বিএনপি-জামায়াতকর্মী এখন হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতির ৪নং এলাকার পরিচালক



হবিগঞ্জ প্রতিনিধি/

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতির মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকা ৪নং এর পরিচালক শাহ্ আলমের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, এলাকা পরিচালক হতে হলে কোনো ধরণের রাজনীতি বা মামলায় অভিযুক্ত থাকলে কোনো ব্যক্তি এলাকা পরিচালক হতে পারবেন না মর্মে প্রজ্ঞাপন রয়েছেন। কিন্তু শাহ্ আলম এ নিয়ম লংঘন করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, এলাকা পরিচালক হওয়ার আগে শাহ্ আলম মাধবপুর থানার এফআইআরভুক্ত মামলার আসামি ছিলেন। যার মামলা নং-৬, তারিখ-২৫/৭/২০১৮ইংসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তিনি মামলার বিষয়টি গোপন রেখে অনিয়মের মাধ্যমে তথ্য গোপন করে এলাকা পরিচালক হয়েছেন। এ ছাড়াও বিএনপি-জামায়াত রাজনীতির সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, মাধবপুর উপজেলার যুদ্ধাপরাধ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দ মোঃ কায়সারের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে। এসব অভিযোগে অভিযুক্ত হবার পরও তিনি পল্লী বিদ্যুতের এলাকা পরিচালক হয়েছেন। এর মধ্যে অভিযোগগুলো গোপন রেখে তিনি এবার আরপিসিএল এর সদস্য হওয়ার জন্য জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। যা সম্পূর্ণ নিয়মবিরোধী হলেও তিনি আরপিসিএলের সদস্য হতে বিভিন্নস্থানে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ নিয়ে এলাকাসহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে নানামুখী আলোচনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোতাহার হোসেন জানান, আজ বুধবার ১৩ জন এলাকা পরিচালক নিয়ে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো মামলা মোকদ্দমার অভিযোগ থাকলে তাকে সদস্য মনোনীত করা যায় না। যা আইন বর্হিভূত। উক্ত সভায় তিনজন প্রার্থীর মধ্যে একজনকে মনোনীত করে তার নাম প্রস্তাব আকারে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে প্রেরণ করা হবে। এদিকে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আরপিসিএলের সদস্য না করতে দাবি জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুতের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে ৪নং এলাকা পরিচালক শাহ্ আলম জানান, পারিবারিক কিছু মামলা হয়েছিল। এগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে। সৈয়দ কায়সার আমার প্রতিবেশী। আমি সার ব্যবসায়ী। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়।

শেয়ার করুন!