ওমিক্রন আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী



সিএনবাংলাদেশ অনলাইন/

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে। তবে আমাদের এ জাতীয় কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে এইচএসসি পরীক্ষার রাজধানীর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠুভাবেই পরীক্ষা হচ্ছে আমরা পরীক্ষার পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট। স্বাস্থ্যবিধি মেনে হচ্ছে সবকিছুই। বাইরেও অভিভাকেরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এবারের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। একমাত্র পরীক্ষার হলে গেলেই সম্ভব। কিন্তু তখন কোনো লাভ নেই। যদি ফঁসের কথা শুনা যায় তাহলে মনে করবেন সেট গুজব। এছাড়াও আমরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করবো।

শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচন কমশিনকে শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২৩ ডিসেম্বর আমাদের একটা পরীক্ষা রয়েছে। ওইদিন একটি নির্বাচনরেও তারিখ রয়েছে। সেটি আমরা তাদের জানিয়েছি। পরে নির্বাচন কমিশন সেই তারিখ পিছিয়েছে। এমনিতে আমরা উভয়পক্ষ সমন্বয় করে কাজ করছিলাম। তবুও কোথাও একটা সমস্যা হয়েছে, সেটা ঠিক হয়ে গেছে। আমরা সেজন্য তাদের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।

এমপিওভুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এমপিও ভুক্তির সবে মাত্র আবেদন নেওয়া হচ্ছে। এটা একটি লম্বা প্রক্রিয়া। আমি আশা করি যতগুলো প্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হবেন সবাই সুবিধা পাবেন। কারণ যোগ্য হওয়ার পরেও কেউ পাবেন কেউ পাবেন না সেটা ঠিক কবে না।

এসময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ প্রমুখ।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সারাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এদিন দেশে ৯ হাজার ১৮৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৪ লাখ ২ হাজার ৫৭৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬২১টি।

করোনার পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে দেড় ঘণ্টায় হবে এবারের পরীক্ষা। এ বছর ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সকালে ও বিকেলে দুই ধাপে আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।

শেয়ার করুন!