এ নিয়ে লেখালেখির দরকার নাই, আরও ক্লিনিকগুলোতেও এমন হচ্ছে!



জুয়েল চৌধুরী, হবিগঞ্জ/

হবিগঞ্জ শহরের আল রাফি প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের চিকিৎসায় এক প্রসূতি নারীর ইনফেকশন দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। শুধু তাই নয়, ওই হাসপাতালের কর্মচারীরা তার সাথে অশোভ আচরণও করেছেন বলে অভিযোগ উটেছে। এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

জানা যায়, হবিগঞ্জ শহরে ব্যাঙের ছাতার মতো নামে বেনামে অবৈধ প্রাইভেট ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। তাদের নিয়োজিত দালাল রয়েছে।

গ্রামগঞ্জ থেকে আসা সহজ সরল রোগীরা হাসপাতালে এলেই দালালরা কৌশলে তাদেরকে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে গলাকাটা দাম আদায় করে চিকিৎসা দেয়। অনেকেই ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেছে। আবার কেউ কেউ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

গত ২৬ মার্চ সুরাবই গ্রামের ইলিয়াছ মিয়ার স্ত্রী রাহেলা খাতুন প্রসূতি ব্যথা নিয়ে সদর হাসপাতালে আসেন। এ সময় এক দালাল তাকে কৌশলে আল রাফি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার সুম্মিতা সাহাকে দিয়ে সিজার করায় এবং একটি নবজাতক জন্ম গ্রহণ করে। একপর্যায়ে ওই নারীর ইনফেকশন হয়। তখন তড়িগড়ি করে হাসপাতালের ম্যানেজার তাকে ছুটি দিয়ে দেয়। বাড়িতে গিয়ে তিনি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। চারদিন আগে সে পুনরায় হাসপাতালে এলে তাকে হাসপাতালের কর্মচারী অশোভ আচরন করে জোর করে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পরে আরও টাকা দেয়ার কথা বলে ভর্তি করানো হয়। প্রতিদিন রোম ভাড়া ১ হাজার টাকা ও বাহির থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়।

এদিকে দিন দিন তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে রাহেলা জানিয়েছে। গতকাল সরেজমিনে রোগীর সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতালের ডাক্তার ও ম্যানেজার তাকে বিনামূল্যে সুস্থ করে দেবে বলে আশ্বস্থ্য করে। ম্যানেজার জানান, বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। এ নিয়ে লেখালেখির দরকার নাই। ভুলতো হতেই পারে। আরও ক্লিনিকগুলোতেও এমন হচ্ছে!

শেয়ার করুন!