ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকের ধান কেটে দিলেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব সদস্যরা



শ্রীমঙ্গল/মৌলভীবাজার/প্রতিনিধি/

ঘুর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় বোরো ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে ৮০ভাগ পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তোলার নির্দেশ পেয়ে কৃষকরা ধান কাটতে ব্যবস্ত সময় পার করছেন।

শনিবার সকালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের এক ঝাক সংবাদকর্মী কৃষক শাকির আহমদের পাকা ধান কেটে ঘরে তোলে দিতে সহযোগিতা করেন। এসময় কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কংকন মল্লিক, আসিদ্রোন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মসুদ মিয়াসহ অন্যান্যররা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী বলেন, সংবাদকর্মী শাকির আহমদের পাকা ধান কাটার সহযোগিতার পাশাপাশি আমরা কৃষকদের সচেতন করতে এসেছি যাতে খেতে পাকা ধান ঘুর্ণিঝড়ের আগেই কেটে ঘরে তোলেন। অবহেলার কারণে যেনো ধানের কোনো ক্ষতি না হয়।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কংকন মল্লিক জানান, উপজেলায় পাকা বোরো ধান কাটা অনেকটা এগিয়েছে। ঘুর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা থাকায় ৮০ভাগ পাকা বোরো ধানগুলো কেটে ঘরে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আশিদ্রোন ইউনিয়নের ৫০৩ বøকে বোরোর ভালো ফলন হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে এ ব্লকের বোরো ফসলের কোনো ক্ষয় ক্ষতি হয়নি। ঘুর্ণিঝড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বোরো ধান হাওরে কাটার উপযোগী হওয়ার পরও কাটা হচ্ছে না। দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলতে কৃষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলায় ১০ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এ উপজেলায় বোরোর ফলন হয়েছে ভালো।

শেয়ার করুন!