তাইওয়ানকে রক্ষায় সামরিক হস্তক্ষেপ করবে যুক্তরাষ্ট্র: বাইডেন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক/

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, যদি তাইওয়ান চীনের আক্রমণের শিকার হয় তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করবে।

জাপানে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সোমবার এ ঘোষণা দেন। খবর আলজাজিরা ও দ্য গার্ডিয়ানের।

বাইডেনের এ মন্তব্য পূর্ব এশিয়ার গণতন্ত্রের বিষয়ে ওয়াশিংটনের কয়েক দশকের নীতির পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে অংশ নেওয়া এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের তাইওয়ান বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে বাইডেন বলেন, তাইওয়ানকে রক্ষার জন্য ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি’।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘এক চীন নীতি’তে রাজি হয়েছে— এর অর্থ হলো, চীন একটিই। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে—‘তাইওয়ানকে বল প্রয়োগ করে দখল করা যেতে পারে’ এ ধারণাটি ‘ঠিক নয়’। এটি ইউক্রেনে যা ঘটছে তারই মতো একটি ঘটনা হবে।

তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাইডেনের এ বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে।

যদিও বাইডেনের বক্তব্যের পর হোয়াইট হাউসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, তাইওয়ানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো বদল নেই।

চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড হিসেবেই দেখে। এ কারণে দ্বীপটির কাছেই গত দুই বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে সামরিক কার্যক্রম জারি রেখেছে চীন। তবে ইউক্রেন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে তাইওয়ান চীনের এ ধরনের কোনো বিষয়ের কথা জানায়নি।

১৯৪৯ সালে কমিউনিস্টদের কাছে গৃহযুদ্ধে হেরে সে সময়ের চীনা সরকার তাইওয়ানে পালিয়ে আসে। সেখানে তারা ‘রিপাবলিক অব চায়না’ নামে এক সরকার গঠন করে। নিজেদের সমগ্র চীনের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার বলেও দাবি করে তারা।

এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই তাইপে চীনের দাবির তীব্র বিরোধী। তিনি তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই মনে করেন।

শেয়ার করুন!