শেষ চার কঠিন করল কুমিল্লা



স্পোর্টস রির্পোটার :

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজেদের ১১তম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩৪ রানে হেরেছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। ফলে প্লে অফে খেলার সম্ভাবনা কঠিন হয়ে গেল কুমিল্লার। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ১০ জানুয়ারি এই খুলনার বিপক্ষেই খেলতে নামবে তারা। সেখানে প্লে অফের খেলতে হলে জিততেই হবে। তবে এরপর তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে খুলনা ও ঢাকা প্লাটুনের ম্যাচের দিকে। এই ম্যাচে যদি খুলনা হারে তাহলে রান রেটের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকলে তবেই প্লে অফে খেলার সুযোগ পাবে সৌম্যর কুমিল্লা। আর তারা যদি তাদের পরবর্তী ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে হারে তাহলে আর কোনো হিসাব-নিকাশের প্রয়োজন হবে না। ওই দিনই তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে।

এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচ খেলে ৬টিতে জিতে ও ৪টিতে হেরে খুলনা সংগ্রহ করেছে ১২ পয়েন্ট। অপরদিকে কুমিল্লা ১১ ম্যাচ খেলে ৫টিতে জিতে ও ৬টিতে হেরে ১০ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে।
গতকালের ম্যাচটিতে টসে জিতে প্রথমে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু করেন খুলনার দুই ওপেনার নাজমুল হাসান শান্ত ও মেহেদী হাসান। তারা দুজন ৯ ওভার ১ বল খেলে দলকে এনে দেন ৭১ রানের উদ্বোধনী জুটি। দলীয় ৭১ ও ব্যক্তিগত ৩৮ রানের মাথায় সৌম্য সরকারের ফাঁদে পড়েন নাজমুল হাসান শান্ত। এরপর দলীয় ৯৪ ও ব্যক্তিগত ৩৯ রানের মাথায় বিদায় নেন আরেক ওপেনার মেহেদী হাসান। কিন্তু এরপর ব্যাটিংয়ে নামা রাইলি রুশো ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম কুমিল্লার বোলারদের বিপক্ষে ঝড় তোলেন। রুশো মাত্র ৩৬ বল খেলে করেন ৭১ রান। অন্যদিকে মুশফিকুর রহিম ১৭ বলে করেন ২৪ রান। তারা দুজনই থাকেন অপরাজিত। ফলে সবমিলিয়ে ২ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তোলে খুলনা। ম্যাচটিতে কুমিল্লার হয়ে ১টি করে উইকেট তুলে নেন সৌম্য সরকার ও ডেভিড উইস।

এই রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৩২ রানের মাথায় ওপেনার সিয়ান ভন জাইল ও অধিনায়ক ডেভিড মালানের উইকেট হারিয়ে বসে কুমিল্লা। তবে একপ্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন আরেক ওপেনার সাব্বির রহমান। তিনি শেষ পর্যন্ত দলকে জেতাতে পারেননি। তিনি আউট হন ৬২ রান করে। সাব্বির আউট হয়ে যাওয়ার পরই মূলত জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় কুমিল্লার। ম্যাচটিতে কুমিল্লার হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ইয়াসির আলী। শেষ পর্যন্ত কুমিল্লা ১৮ ওভার ২ বল খেলে সব উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান তুলতে সমর্থ হয়। ফলে খুলনা পায় ৩৪ রানের জয়। কুমিল্লার ইনিংসে ধস নামান খুলনার হয়ে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলা রাইলি রুশো। তিনি একাই তুলে নেন ৫টি উইকেট। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে এই উইকেটগুলো তুলে নেন তিনি। খুলনার হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ আমির ও শহিদুল আলম।

শেয়ার করুন!