ইভিএমে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাকে হারানো হয়েছে: সাক্কু



কুমিল্লা প্রতিনিধি/

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (কুসিক) স্বতন্ত্র পদে লড়াই করে হেরে যাওয়া প্রার্থী ও গত দুইবারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেছেন, তাকে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে নির্বাচনে পরাজিত দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুসিক নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশ (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জয় পেয়েছেন আরফানুল হক রিফাত।

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মোট ১০৫টি কেন্দ্রে আরফানুল হক রিফাত পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুল হক সাক্কু ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর মাঝে পার্থক্য ৩৪৩ ভোট।

এর আগে রাত ৯টার দিকে ১০১ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন মনিরুল হক সাক্কু। এগিয়ে থাকার খবর পেয়ে সাক্কু ফলাফল ঘোষণা কেন্দ্র কুমিল্লা শিল্পকলা কেন্দ্রে চলে আসেন।

তখন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বাকি চার কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার অনুরোধ জানালেও শাহেদুন্নবী বলেন, তিনি বাকি চার কেন্দ্রের ফলাফল পরে ঘোষণা করবেন। তখন সাক্কুর সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে রিফাতের সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়। সামান্য আহত হন সাক্কু।

এসময় রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করেন। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তিনি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ফলাফল ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘ইভিএমের মাধ্যমে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে আমাকে হারানো হয়েছে। তার অভিযোগ, রিটার্নিং কর্মকর্তা কারো এক ফোন পেয়ে চার কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখেন। তারপর দেখলাম বিভিন্ন মামলার আসামিরা আমার ওপর আক্রমণ করল। আমি এই ফলাফল প্রত্যাখান করছি।’

সাক্কু জানান, তিনি এ ফলাফলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন। আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবেন।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনায় মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন যে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ব্যর্থ, সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।’

শেয়ার করুন!