লম্পট এমডি স্ত্রী সন্তান রেখে প্রেমে মত্ত ছিল মুনিয়াকে নিয়ে, চাঞ্চল্য!



ছবি-সংগৃহীত।
নিজস্ব প্রতিবেদক :

গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এনিয়ে দেশজুড়েও চলছে সমালোচনা। একজন বিশিষ্ট শিল্পপতির রোসানলে পড়ে শেষ পর্যন্ত হারিয়ে গেল একটি তরতাজা প্রাণ। আর সেই ঘাতক হলেন বসুন্দরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর।

ঘটনাটি ঘটে গুলশান দুই নম্বর এভিনিউয়ের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর প্লটের বি/৩ নম্বর ফ্ল্যাটে সোমবার গভীর রাতে। প্রেমের সর্ম্পক থেকে হত্যা না আত্মহত্যা। বিয়ের প্রলোভনে অকালেই প্রাণ গেল সেই মিরপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১)’র। একজন ধন্যাড্য ব্যক্তির এমন নিকৃষ্ট আচরণ হতবাক করে দিয়েছে পুরো দেশবাসীকে। প্রথমে প্রেম আলাপন এরপর বিয়ের প্রলোভন অতঃপর মিথ্যা চুরির অপবাধ সইতে হয়েছে সেই প্রেম পাগলী মুনিয়াকে। লম্পট এমডি ঘরে স্ত্রী সন্তান রেখে প্রেমে মত্ত ছিলেন মুনিয়াকে নিয়েই। তিনি আড়ালে থেকেই বিলাসবহুল লক্ষটাকার ফ্ল্যাটে স্ত্রী সম্বোধনে তরুণীর সম্ভ্রমহানি চালিয়েছেন নির্ধিদায়। অথচ এর দায়ভার সেই লম্পট এমডি নিতে রাজি নয়। সেই সত্যকে ঢাকা দিতে গিয়ে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে কতিপয় অর্থপিপাষু মিডিয়া উটেপড়ে লেগেছে। এটা মিডিয়ার জন্যও অশনিসংকেত। একটি মিথ্যা সাজানো জীবণকে তছনছ করে দিচ্ছে। শুধু তাই নয় সেই তরুণীর পরিবার আজ হুমকির মুখে। যদিও তরুণীর মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। ঘটনার পর সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ জব্দ করেছে ওই ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মুনিয়ার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মৃত তরুণীর বড় বোন বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে আসামি করে মামলা করেছেন। আদালত আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে। কিন্তু ঘটনা পরিক্রমা শেষ কোন দিকে মোড় নিবে তাও কেউ নিশ্চিত হতে পারছেন না! বানের বন্যার মত ভেসে যেন না যায় সেই পাশবিকতা।

পুলিশ জানায়, সেই ফ্ল্যাটে তরুণী একাই থাকতেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে এক লাখ টাকা মাসিক ভাড়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাটে ওঠেন। তার বাবা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিফুর রহমান। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা সদরের দক্ষিণপাড়া উজিরদীঘি এলাকায়। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, মেয়েটি কেন আত্মহত্যা করেছে। এর পেছনে কারও ইন্ধন রয়েছে কিনা। ওই বাসায় কার যাতায়াত ছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। ওই বাসা থেকে কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ফরেসনিক বিভাগের প্রভাষক ডাঃ দেবিকা রায় মুনিয়ার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ বুঝে নেন তার ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান। পরে মনিরার লাশ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার এজাহারে নিহতের বড় বোন নুসরাত জাহান বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযোগ এনেছেন। পুলিশ কিছু আলামত জব্দ করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বাদি উল্লেখ করেছেন, আমার বোন মোসারাত মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজের এইচএসসির শিক্ষার্থী। গত দুই বছর আগে আসামির সঙ্গে আমার বোনের পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকেই বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে তারা দেখা করত এবং মোবাইল ফোনে কথা বলত। একপর্যায়ে আমার বোন মুনিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। ২০১৯ সালে উক্ত আসামি আমার বোনকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আসামির পরিবার মুনিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। পরে পিয়াসা নামে এক নারীর মাধ্যমে আনভীরের মা মুনিয়াকে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। তাকে ঢাকা থেকে চলে যেতে বলে। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনার পর আসামি আমার বোনকে কৌশলে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেয়। পরে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। সব শেষে গত মার্চ মাসের এক তারিখে আসামি সায়েম সোবহান আনভীর মুনিয়াকে প্ররোচিত করে আমার এবং আমার স্বামীর এনআইডি কার্ড দিয়ে বাসা ভাড়া নিতে বলে। কুমিল্লা থেকে ফুসলিয়ে মুনিয়াকে নিয়ে এসে গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার বি/৩ ফ্যাটটি ভাড়া নেয় আসামি। ভাড়া নেয়া ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে আসামি ও মুনিয়ার ছবি বাঁধিয়ে রাখে। এমনভাবে রাখে যেন তাদের স্বামী-স্ত্রী মনে হয়। আসামি আসলে ওই কক্ষটিতে থাকত।

এছাড়া তিনি বলেছেন, আমার বোনের মাধ্যমে আমি জানতে পারি আসামি মুনিয়াকে বিয়ে করে দেশের বাইরে সেটেল করবে। কারণ বাংলাদেশে যদি আসামির বাবা-মা মুনিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানতে পারে তাহলে কিছু করবে না, মুনিয়াকে মেরে ফেলবে। মামলায় বলা হয়, গত ১ মার্চ থেকে আসামি আমার বোন মুনিয়াকে গুলশানের ফ্ল্যাটে রাখে। সে মাঝে মাঝে ওই ফ্ল্যাটে স্বামীর মতো আসা যাওয়া করত। গত শুক্রবার আমার বোন ফোন করে জানায়, আসামি তাকে বকা দেয়। কেন সে ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় গিয়ে ইফতার করে এবং ছবি তোলে। কারণ জানতে চাইলে আনভীর বলে ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী ফেসবুকে ছবি পোস্ট করেছে। এটা পিয়াসা দেখেছে। পিয়াসা মালিকের স্ত্রীর ফেসবুক ফ্রেন্ড এবং পরিচিত ছিলেন। পিয়াসা আসামির মাকে সব জানিয়ে দিবে বলে জানায়। এছাড়া আসামি মোসারাতকে বলে তোমার আর এইখানে থাকার দরকার নাই। তুমি কুমিল্লায় চলে যাও। আমি দুবাই চলে যাচ্ছি। কারণ আম্মা জানতে পারলে তোমাকে মেরে ফেলবে।

বাদী নুসরাত মামলায় উল্লেখ করেন, ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে মুনিয়া তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে আমাকে ফোন করে কান্নাকাটি করে বলে আমাকে সে বিয়ে করবে না। মুনিয়াকে জাস্ট ভোগ করেছে এবং বলেছে তুই আমার শত্রুর সঙ্গে মিলিত হইছিস। মনে রাখিস তোকে আমি ছাড়ব না। আমাকে চিৎকার করে কান্না করতে করতে বলে, যে কোন সময় আমার বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তোমরা তাড়াতাড়ি ঢাকায় আসো। নুসরাত বলেন, আমি এলাকার মামাতো বোন ইভা ও ফুফাতো ভাই ইকবালকে নিয়ে সোমবার দুপুরে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হই। আসার পথে মুনিয়ার ফোনে অসংখ্যবার যোগাযোগ করি, কিন্তু সে রিসিভ করেনি। বিকালে বাসায় পৌঁছে দরজা নক করলে ভেতর থেকে সাড়া শব্দ না পেয়ে নিচে নেমে সিকিউরিটি গার্ডের রুম থেকে বাসার ইন্টারকমে ফোন করি। কিন্তু এভাবেও ভেতর থেকে কোন সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের মালিকের নম্বরে ফোন করলে মিস্ত্রি এনে তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করার পরামর্শ দেন। পরে ওই বিল্ডিংয়ের ম্যানেজারকে দিয়ে মিস্ত্রি এনে তালা ভেঙ্গে ভেতরে মুনিয়াকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখি। মুনিয়ার পা খাটের সঙ্গে লাগানো ছিল। পরে ম্যানেজার বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে এবং বাসা থেকে মুনিয়া ও আনভীরের একাধিক ছবি ও মোবাইল ফোন আলামত হিসেবে জব্দ করে।

এদিকে আদালত সেই লম্পট ব্যক্তি যাতে দেশত্যাগ না করতে পারে সে ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার জাফর আহমেদ জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার একটি আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনটি আদালত মঞ্জুর করেছেন। পরে এই মামলাটির এজাহার গ্রহণ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম আগামী ৩০ মে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তাকে। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, কারও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় অনুসরণ করে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসামি যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে অভিবাসন কর্তৃপক্ষকেও অনুরোধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে ওই কলেজ ছাত্রীর মরদেহ কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় তার বড় বোনের বাসায় নিয়ে আসা হয়। এসময় শত শত উৎসুক মানুষ বাসাটির আশপাশে ভিড় জমায়। এতে সেখানে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে মুনিয়া অকালে পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেয়ার বিষয়টি কেউ স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছেন না। মুনিয়া নগরীর উজিরদীঘির পাড়ের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সফিকুর রহমানের মেয়ে। এদিকে পুলিশ ওই কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর তার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে রজধানীর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে কলেজছাত্রীর পরিবার। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে কুমিল্লাসহ দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নগরীর মনোহরপুরের উজিরদীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সফিকুর রহমানের মেয়ে মোসারাত জাহান মুনিয়া রাজধানীর মিরপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। এবার এ প্রতিষ্ঠান থেকে তার এইচএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। এর আগে সে কুমিল্লা নগরীর বাদুরতলা এলাকার ওয়াইডব্লিউসিএ নামক একটি স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণী পাস করে। পরে সে নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকার মডার্ন হাইস্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে এবং সর্বশেষ রাজধানীর মিরপুর মনিপুরী স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করে। পরিবারে এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সে সবার কনিষ্ঠ। এদিকে সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের একটি ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ নিয়ে কুমিল্লাসহ দেশব্যাপী বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা থেকে কুমিল্লায় ফিরে নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় অরনী নামক ভবনের ফ্ল্যাটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এ মামলার বাদী মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান। কালকে মুনিয়া ফোন করে বলে, আমাকে মেরে ফেলবে। আমাকে ধোঁকা দিয়েছে, ধোঁকা দিয়েছে। তিনি বলেন, ৪টি ডায়েরিতে মুনিয়ার লিখিত অনেক এভিডেন্স (তথ্যপ্রমাণ) পাওয়া গেছে। দুটি মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য এভিডেন্স পুলিশ নিয়ে গেছে। বাসায় তার সঙ্গে অনেক ছবি ছিল, সিমটম ছিল। আমার কি গেছে, তা শুধু আমি বলতে পারব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভিক্ষা চাচ্ছি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। সরকার থেকে আমরা কিছুই নেই নাই। ওনার কাছে আমার এতিম বোনের বিচারটা ভিক্ষা চাই। সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ বিষয়ে নিহতের বড় ভাই আশিকুর রহমান সবুজ বলেন, ‘আমার বোন মুনিয়া সুইসাইড করার মতো মেয়ে না। আমরা মনে করছি এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানাতে চাই, আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন পরিকল্পিত এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’ এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মুনিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় স্থানীয় উৎসুক জনতা ওই বাড়ির সামনে ভিড় জমায়। বিকালে তার মরদেহ নগরীর টমছমব্রিজ কবরস্থানে দাফন করা হয়।

শেয়ার করুন!