জৈন্তাপুরে ভারতীয় পণ্য নিলাম: ‘সার্কেল স্যার সব জানেন’ এসআই শাহেদুল!



এসআই কাজী শাহেদুল, ছবি-সংগৃহীত।
জুনেদ আহমদ চৌধুরী :

আদালতের নিয়মনীতি না মেনে বুধবার (২ জুন) বিকাল ৫ টায় প্রায় ২২ লক্ষ টাকার জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য নিলাম দেয়া হয় ৫ লাখ ২৫হাজার টাকায়। অভিযোগ উটে নিলামের সকল প্রক্রিয়া না মেনে থানা পুলিশের এসআই কাজী শাহেদুল ইসলামকে চোরাকারবারী সিন্ডিকেটগ্রুপ হাত করে গোপনে এই নিলাম হাতিয়ে নেয়। এতে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় আড়াইলাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেছেন এসআই নিজে। কোন স্থানীয় দৈনিক বা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সেই নিলামের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করেই জব্দকৃত আলামত নিলামে বিক্রয় করা হয়। এছাড়া স্থানীয় উপজেলায় প্রকাশ্যে মাইকিং ও নোটিশ ঝুলানো হয়নি। নামেমাত্র থানা এলাকায় নোটিশ ঝুলিয়ে রাখে পুলিশ। তবে অনেকের ধারণা সেই নোটিশ নির্ধারিত সময়ে ঝুলানো হয়নি। এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কিন্তু রহস্যজনক হলেও সত্য যে, পরদিন রাতে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ হাদিয়া হজম করতে তড়িগড়ি করে সেই মালামাল সমজিয়ে দেয় তাদের পছন্দের লোককে। অথচ এর আগেই জৈন্তাপুর থানায় এসআই শাহেদুল’র দৌড়াত্ব, নিলামের নামে চলছে বাণিজ্য! শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় ইংরেজি জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইন পত্রিকায়। আর এই মামলার প্রধান বাদি হলেন র‌্যাব-৯, সিলেট এর এসআই (নিঃ) মনিরুজ্জামান, বিপি।

এবিষয়ে জানতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজী শাহেদুল ইসলাম’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এনিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না, সার্কেল স্যার সব জানেন।

এ ব্যাপারে সার্কেল অফিসার মুঠোফোনে জানান, আমি কোন পত্রিকা দেখিনি, নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেতো দেখতাম। প্রকাশ্যে মাইকিং করা হয়েছে কি না তাও আমার জানা নেই, তবে শুনেছি মাইকিং করা হয়েছে। এসময় তিনি বলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে একটু আলাপ করেন বিস্তারীত পাবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন!