ঢাকার সকল বার ও ক্লাবে নিষিদ্ধ হতে পারেন পরীমনি



ফাইল ছবি।
বিনোদন ডেস্ক :

অভিজাত ঢাকা বোট ক্লাবের ভেতরে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগের ঘটনার মধ্যদিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন অভিনেত্রী পরীমনি। ঘটনার চারদিন পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে অভিযোগের বিষয়টি খোলাসা করেন এই ঢালিউড নায়িকা।

এরপর নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান তিনি। এতে দেশব্যাপী পরীমনির আলোচনায় অভিজাত ক্লাব নিয়ে সমালোচনা ঝড় বয়ে যায়। এই ঘটনায় পরদিন ঢাকার সাভার থানায় পরীমনি তার লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলে সেটি নথিভুক্ত করে পুলিশ।

মামলার প্রেক্ষিতে ঢাকা বোট ক্লাবের এন্টারটেইম্যান্ট অ্যান্ড কালচারাল মেম্বার ও প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যবসায়ী মাহমুদ কুঞ্জ ডেভেলপার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যানের নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ আরও তিন নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে, অভিজাত ক্লাব ও অভিনেত্রী পরীমনিকে নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা হরধুম চলছে। ঠিক ওই সময় রাজধানীর গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরীমনির বিরুদ্ধে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় অসদাচরণ ও ভাঙচুরের অভিযোগ তোলা হয়। এরপর বনানী ক্লাবেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে এমন অভিযোগ (যদিও ঘটনাটি মাস ছয়েক আগে)।

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, এই ঘটনাগুলো বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনিকে ঢাকার অভিজাত সব ক্লাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ভাবতে শুরু করেছেন ক্লাব কালচার কমিউনিটির মেম্বাররা।

সূত্র জানায়, অভিনেত্রী পরীমনি অভিযোগ করেছে তাকে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার আগের দিন পরীমনি তিনি গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবে এসে ক্লাব ম্যানেজমেন্টের লোকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। আবার মাস ছয়েক আগে বনানী ক্লাবেও এক তারকা দম্পতির আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি ভাঙচুর চালিয়েছেন। যদিও পরীমনি এই তিনটি ক্লাবের কোনোটির মেম্বার নন।

সূত্রটি জানায়, ক্লাব কালচার কমিউনিটি মেম্বারদের অনেকেই পরীমনিকে নিষিদ্ধ করতে দাবি করছেন। তারা বলেছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। এসব ক্লাবগুলো সমাজের অভিজাত ও সুশীল শ্রেণীর লোদের একটি কমিউনিটি। এক পরীমনির এসব আচরণের জন্য ক্লাব কালচার নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ক্লাবের সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সূত্রটি বলছে, ঢাকা সব ক্লাব কমিটি ও মেম্বারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঢাকার অভিজাত ক্লাবগুলোতে পরীমনির প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

এদিকে অভিনয় ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলচ্চিত্র শিল্প সংশ্লিষ্টদের সংগঠন বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সদস্য নন পরীমনি। সেখানে আসা-যাওয়াও ছিল না তার। এছাড়া অন্য ক্লাবগুলোর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

শেয়ার করুন!