হবিগঞ্জে করোনার অজুহাতে ট্রাফিক পুলিশ হাতিয়ে নিচ্ছে চাঁদা



ফাইল ছবি।
স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ :

হবিগঞ্জ কতিপয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করোনাকালীন সময়ে মামলার অজুহাতে বিভিন্ন যানবাহন চালকদের কাছ থেকে চাঁদা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, মামলা দিয়ে ইচ্ছা মাফিক টাকা নেয়া হচ্ছে। তবে কোনো রিসিট দেয়া হয় না। ফলে বেশির ভাগ টাকাই চলে যায় তাদের পকেটে। করোনাকালীন সময়ে গণপরিবহন সারাদেশের ন্যায় হবিগঞ্জেও যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত গাড়ি এবং বিভিন্ন পণ্যবাহি গাড়ি চলাচল লকডাউনের আওতামুক্ত রয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রাফিক পুলিশ চেকপোষ্ট বসিয়ে রোগীবাহি গাড়ি এবং জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন মোটর সাইকেল আটক করে মামলা দিচ্ছে।
অনেক সময় দেখা যায়, কাগজপত্র সঠিক থাকলেও না দেখে মামলা দেয়া হয়। পরে মামলা তুলতে গেলে ৪/৫ হাজার টাকা নেয়া হয় আর রিসিট দেয়া হয় ১৫শ থেকে ২০০০ হাজার টাকার। এমন অভিযোগও রয়েছে। আবার কোন কোন সময় জরিমানার ৪ ভাগের এক অংশ সরকারের কোষাগারে জমা হলেও বাকি ৩ অংশ চলে যায় ট্রাফিক পুলিশের পকেটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন যাত্রীবাহি গাড়ির চালকরা অভিযোগ করেন, রোগী নিয়ে আসার পরও ট্রাফিক পুলিশরা যাবার পথে তাদের গাড়ি আটক করে মামলা দিয়ে থাকেন। আর এসব মামলা তুলতে গেলে নানা ভোগান্তির শিকার হন। কয়েকজন মোটর সাইকেল চালক জানান, যদি কোনো তদবির করা হয় তবে জরিমানা দ্বিগুন হয়ে যায়। এছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা ট্রাফিক অফিসে দাড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় ওই অফিসের মুন্সি সাদাত হোসেনকে খুশি না করলে দিনের পর দিন ধ্বর্না দিতে হয়। এমনকি তার দুব্যর্বহারেও তারা অতিষ্ঠ। অনেক সময় তিনি নিজেই মামলা তুলে দেন।

এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাসানুজ্জামান বলেন, রোগীবাহি গাড়িদের মামলা দেয়া হয় না এবং রোগী নামিয়ে যাবার সময় যদি যাত্রী নিয়ে যায় তাহলে মামলা দেয়া হয়। এ ছাড়া কাগজবিহীন মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করে থাকেন। অন্য অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন!