সাহিত্যে নোবেল পেলেন ব্রিটিশ লেখক আবদুল রাজাক



সিএনবাংলাদেশ ডেস্ক/

এ বছর সাহিত্যে নোবেল জিতেছেন ভারত মহাসাগরের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জাঞ্জিবারের শরণার্থী, বর্তমানে ব্রিটেনের নাগরিক আবদুল রাজাক গুরনাহ। শরণার্থী জীবনের টানাপোড়েন ও ঔপনিবেশিকতার প্রভাব নিজের লেখায় আপোসহীন এবং সহানুভূতিশীল ভঙ্গিতে উপস্থাপন করেছেন তিনি। প্যারাডাইস নামে চতুর্থ উপন্যাস তাকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি এনে দেয়। বৃহস্পতিবার স্টকহোমে সুইডিশ একাডেমি সাহিত্যে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণার বিবৃতিতে আবদুল রাজাকের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে এসব বর্ণনা করেছে। তার জন্ম ১৯৪৮ সালে। তিনি বেড়ে ওঠেন জাঞ্জিবার দ্বীপে। তাঞ্জানিয়ার একটি বিচ্ছিন্ন স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ এটি। ১৯৬০-এর দশকের শেষ নাগাদ ইংল্যান্ডে পাড়ি দেন আবদুল রাজাক। তার মোট দশটি উপন্যাস এবং বেশ কয়েকটি ছোট গল্প প্রকাশিত হয়েছে। খবর বিবিসি ও আলজাজিরা অনলাইনের।

সাহিত্যে এখন পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ১১৮ জন। যাদের মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ১৬। নোবেল কমিটির সদস্যদের যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনার জেরে ২০১৮ সালে সাহিত্যের পুরস্কার স্থগিত করেছিল সুইডিশ এ্যাকাডেমি। পরে ২০১৯ সালে দু’বারের নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালের জন্য পোলিশ লেখক ওলগা টোকারচুক ও এবং পরের বছরের জন্য অস্ট্রিয়ার পিটার হান্টকরকে সাহিত্যে নোবেল দেয়া হয়। পঞ্চম আফ্রিকান হিসেবে সাহিত্যে নোবেল জিতলেন আবদুল রাজাক।

এর আগে ১৯৫৭ সালে প্রথম শেতাঙ্গ আফ্রিকান হিসেবে সাহিত্যে নোবেল জেতেন আলবের কাম্যু। এরপর ১৯৮৬ সালে নাইজিরিয়ার ওলে সোয়েঙ্কা, ১৯৮৮ সালে মিসরের নাগিব মাহফুজ এবং ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জে এম কোয়েৎজি সাহিত্যে নোবেল জেতেন। সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল জিতেছেন ডোরিস লেসিং। ২০০৭ সালে। তখন তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।

অণু গঠনের নয়া কৌশল উদ্ভাবনের কারণে এ বছর রসায়নশাস্ত্রে নোবেল পান জার্মান রসায়নবিদ বেঞ্জামিন লিস্ট ও স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিনি ডেভিড ম্যাকমিলান। এ আবিষ্কার ওষুধ শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পান তিন গবেষক। তারা হলেন, জাপানী বংশোদ্ভ‚ত মার্কিন নাগরিক স্যুকুরো মানাবে, জার্মান বিজ্ঞানী ক্লাউস হেসেলমান এবং ইতালির বিজ্ঞানী জর্জিও পারিসি। এরপর শুক্রবার শান্তি এবং আগামী ১১ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

শেয়ার করুন!