শ্রীমঙ্গলের সীমান্ত এলাকায় চাষীদের সঙ্গে বিজিবি’র মতবিনিময়



ছবি-সিএনবাংলাদেশ।
এম মুসলিম চৌধুরী/শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:

শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়ন ও রাজঘাট ইউনিয়নের প্রায় ৫শ’ লেবু ও পান চাষীদের সাথে বাংলাদেশ বর্ডারগার্ড ( বিজিবি)ও হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়নের মত বিনিময় অনুষ্টিত হয়েছে।

বিজিবি হবিগঞ্জ ৫৫ ব্যাটালিয়ানের আয়োজনে অনুষ্টানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ ৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এন এম সামিউন্নবী চৌধুরী পিবিজিএম পিবিজিএমএস । এসময় ৫৫বিজিবি’র উপ-অধিনায়ক মেজর মো. তৌফিকুর রহমান, সিন্দুরখান ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হামিদুর রহমান, সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হেলাল, রাজঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিজয় বুনার্জি, সাংবাদিক ইয়াছিন আরাফাত রবিন, মো, ফুল মিয়া (মহালদার) শিক্ষক জসিম উদ্দিনসহ সীমান্ত এলাকার বাগান চাষীরা বক্তব্য রাখেন।

পরে সীমান্ত এলাকার নোমেন্সল্যান্ড এ চাষাীদের ব্যাপারে গণশুনানী অনুষ্টিত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারতীয় সীমান্তের নোমেন্সল্যান্ড এলাকায় প্রায় ৫শতাধিক চাষী লেবু আনারস ও পান চাষ করে তাদের জিবিকা নির্বাহ করে আসছে। যদিও নোমেন্সল্যান্ডে চাষাবাদ বেআইনী সেহেতু বিজিবি কতৃক চাষীদের আর ওই এলাকায় প্রবেশ না করতে বলা হয়।

এদিকে এ নিষেধাজ্ঞার ফলে ওখানকার জমিতে চাষীরা যে ফসল ফলন করেছেন সেগুলো আনতে না পারলে ক্ষতির মুখে পড়বেন প্রায় ৫শতাধিক চাষী।

৫৫ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এন এম সামিউন্নবী চৌধুরী পিবিজিএম পিবিজিএমএস জানান, নোমেন্সল্যান্ড এ কোনো দেশের কেউ অবাধে যাতায়াত করা বেআইনি বলে চাষীদের নিরাপত্তার সার্থে ওই এলাকায় না যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। লেবু চাষীরা জানান, সীমান্ত রেখার নোমেন্সলেন্ড এলাকায় যুগযুগ ধরে পান, আনারস ও লেবু চাষাবাদ করে আসছে তাঁরা। বিজিবির নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের আবাদ করা ফসল আনতে পারছেন না। ফসল আনতে না পারায় এখন তাঁরা পথে বসার উপক্রম হয়েছে।

শেয়ার করুন!