বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় শিশুশিক্ষার্থী নিহত



প্রতীকী ছবি।
হাতীবান্ধা/লালমনিরহাট/প্রতিনিধি/

বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল শিশুশিক্ষার্থী আবদুল্লাহ বিন নাঈম (৬)। কিন্তু সে আর বিদ্যালয়ে যেতে পারল না। পথে ট্রাকচাপায় নিহত হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আরডিআরএস অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবদুল্লাহ বিন নাঈম উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পূর্ব সাড়ডুবি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে। সে হাতীবান্ধা ক্যামব্রিয়ান স্কুলের নার্সারি শাখায় পড়ত। ওই ঘটনায় নাঈমের চাচা ইমরান হোসেন (২১) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক জব্দ এবং চালক ও তাঁর সহকারীকে আটক করেছে।

আটক হওয়া ট্রাকের চালক আবদুর রশিদ (৩৭) উপজেলার দালালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। চালকের সহকারী জালাল হোসেন (২৬) পাশের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের নবীনগর এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, আজ সকালে বাড়ি থেকে ফারুক হোসেন মোটরসাইকেলে করে তাঁর ছেলে নাঈমকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। ওই মোটরসাইকেলে ইমরান হোসেনও ছিলেন। সকাল নয়টার দিকে উপজেলার আরডিআরএস অফিসের সামনে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের ওপর মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যান তাঁরা। এ সময় লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাঁদের চাপা দেয়। এতে নাঈম ও তার চাচা ইমরান আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরুতর আহত ইমরানকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মিনতিয়াজ কবির বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আটক হওয়া ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারী পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

শেয়ার করুন!