সরকারের ১১ দফা বিধিনিষেধ কার্যকরে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত



ছবি-সংগৃহীত।
সিএনবাংলাদেশ অনলাইন/

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত ১১ দফা বিধিনিষেধ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। মাস্ক না পরলে গণপরিবহন ও যাত্রীদের জরিমানা করা হচ্ছে। কমলাপুর রেল স্টেশনে মাস্কবিহীন যাত্রীদের প্রবেশ এবং ভেতরের ঘোরাঘুরিতে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে গণপরিবহনে অর্ধেক আসনে যাত্রী বহনের বিধিনিষেধ আগামী শনিবার থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১১ দফা বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তাই আজ সকাল থেকেই সরকারের বিধিনিষেধ কার্যকরে মাঠে নেমেছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সকাল থেকেই শাহবাগ এলাকায় ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান শুরু করে। ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন গণপরিবহন থামিয়ে মাস্কবিহীন যাত্রীদের জরিমানা করতে শুরু করে। একইসঙ্গে মাস্ক ছাড়া যাত্রী বহন করায় পরিবহনের চালকদেরও জরিমানা করা হয়। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতা অন্য কোথাও নজরে পড়েনি।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কোথাও ভ্রাম্যমান আদালতের তৎপরতা দেখা যায়নি। গুলিস্তান, পল্টন, কাকরাইল, মালিবাগ এলাকাতেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ছিল না। এসব এলাকায় গণপরিবহনে এবং রাস্তায় মাস্কহীন পথচারী এবং যাত্রীদের চলাচল করতে দেখা গেছে।

তবে ব্যতিক্রম ছিল কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। এখানে মাস্ক ছাড়া কাউকে স্টেশনে ঢুকতে দেয়নি রেলওয়ে কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা রক্ষীরা। ভেতরে কেউ মাস্কবিহীন অবস্থায় ঘোরাফেরা করছে কিনা সেদিকেও এর কর্মীরা তদারকি করে। লকডাউন হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে অনেকেই তাদের পরিবার পরিজনকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এ কারণে কমলাপুর রেলস্টেশনে আজ সকাল থেকেই যাত্রীর চাপ কিছুটা বেড়েছে।

অবশ্য আন্তঃনগর ট্রেনে সিট ছাড়া টিকিট বিক্রি হয়নি। ট্রেনের টিকিট ছাড়া কাউকেই স্টেশনের ভেতরে ঢুকতেও দেয়া হয়নি। তবে রাজধানীর দূরপাল্লার বাস কাউন্টার ও বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীর চাপ স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।

শেয়ার করুন!