জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব সবক্ষেত্রেই পড়ে: অর্থমন্ত্রী



ফাইল ছবি।
সিএনবাংলাদেশ অনলাইন/

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে সব জিনিসেরই দাম বেড়ে যায়, আর তেলের দাম বাড়লে গরিব মানুষের ওপর স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়ে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব সবক্ষেত্রেই পড়ে। ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে জনজীবনে কী প্রভাব পড়ছে তা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়ন শেষে সরকারের শীর্ষ পর্যায়সহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকার জনগণের সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও করবে। বিশেষ করে দরিদ্র, সীমিত আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশেও কমানো হতে পারে। এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত যেভাবে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করে সেরকমভাবে বাংলাদেশেও নির্ধারণ করা হতে পারে।

বিশ্ববাজারের পড়তি সময়ে এসে বাংলাদেশ সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। গত ৬ আগস্ট দিবাগত রাতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর পেট্রোলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা ও অকটেনের লিটারে ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর বাস, ট্রাক, অ্যাপের প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল এবং লঞ্চ, হিউম্যান হলারের ভাড়া বেড়ে গেছে। বেড়েছে চাল, আটা, ডাল, শাক সবজি, মাছ, মাংসসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রড, স্টিল, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণপণ্যের দামও বেড়েছে।

শেয়ার করুন!