ইতালি থেকে সুখবর, আর্থ্রাইটিসের ওষুধে সুফল পাচ্ছে করোনা রোগীরা!



সিএনবাংলাদেশ ডেস্ক :

সারা বিশ্বে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে এক করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১২৪টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এই মারণ ভাইরাস ইতালিতে ব্যাপক আকারে ছড়িয়েছে। ভাইরাস মোকাবেলায় ইতালি সরকারের জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরো সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে। তবে সুখবর এসেছে দেশটির নেপলস শহর থেকে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দেশটির কর্তৃপক্ষ ও বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাস মোকাবেলায় ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। টোসিলিজুমাব নামের একটি ওষুধ ব্যবহার করে সুফল পাচ্ছেন তারা। যদিও এই ওষুধটি ব্যবহার করা হয় পলিআর্টিকুলার জুভেনাইল ইডিয়োপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (পিজেআইএ) এবং সিস্টেমিক জুভেনাইল ইডিয়োপ্যাথিক আর্থ্রাইটিস (এসজেআইএ) রোগ হলে। কিন্তু বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে এই ওষুধ।

ইতালির নেপলস শহরে একটি চীনা-ইতালিয়ান টিম এই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। কলি হাসপাতাল, নেপলসের ক্যান্সার ইনস্টিটিউট এবং চীনা চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এই ওষুধ নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, টোসিলিজুমাব করোনাভাইরাস সংক্রমিতদের চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। এই ওষুধ ব্যবহার করার পর নেপলসের দুই রোগী সুফল পেয়েছেন। তাদের একজনের অবস্থা মারাত্মক হলেও এখন ভালো অনুভব করছেন।

গত শনিবার নেপলসের কটুগনো হাসপাতালে ওই দুই রোগীর ক্ষেত্রে টোসিলিজুমাব প্রয়োগ করা হয়। পরে ২৪ ঘণ্টা পরে দেখা যায় এই ওষুধ ভালো কাজ করছে। উৎসাহজনক উন্নতি পেয়েছেন গবেষকরা। বিশেষত দু’জন রোগীর মধ্যে একজন, যিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তার উন্নতি হয়েছে। এই পরীক্ষার ভিত্তিতে বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় টোসিলিজুমাব ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, চীনে এই ওষুধ নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। ২১ জন রোগীর শরীরে এই ওষুধ প্রয়োগও করা হয়েছে। যাদের শরীরের প্রয়োগ করা হয়েছে; তাদের অনেকেরই প্রথম ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। বলা হচ্ছে, আরো রোগীর ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা হবে।

শেয়ার করুন!